লিবিয়ার পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে গত এক সপ্তাহে নারীসহ অন্তত ১৫ অভিবাসীর মরদেহ ভেসে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, নৌকা উল্টে যাওয়ার ফলে সাগরে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিরাপত্তা, নৌবাহিনী এবং চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সূত্র শনিবার (২০ জুন) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নৌবাহিনীর একটি সূত্র বলেছে, উপকূলীয় অঞ্চল থেকে অন্তত ১০ জন জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তারা বলছেন, নৌকাটি প্রায় ৬১ জন আরোহী ছিলেন।
সূত্রগুলো বলছে, মিশরের সীমান্তবর্তী শহর তোব্রুকের উপকূলীয় বিভিন্ন স্থান থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
দুজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত মরদেহে এরমধ্যে পচন ধরেছে। এলাকাটিতে আরও মরদেহ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সূত্রটি।
তোব্রুক রেড ক্রিসেন্টের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, সাদা রঙের বিশেষ পোশাক পরা স্বেচ্ছাসেবকরা উপকূলের পাথরের অঞ্চল থেকে মরদেহগুলো সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখছেন।
২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর থেকে লিবিয়া উপকূলে ভূমধ্যসাগরের এ নৌরুটটি ইউরোপে পৌঁছানোর অন্যতম করিডোর হয়ে উঠেছে। সংঘাত ও দারিদ্র্য থেকে বাঁচতে অভিবাসীরা মরুভূমি এবং ভূমধ্যসাগরের বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এছাড়া তেলনির্ভর লিবীয়ার অর্থনীতিও কর্মসংস্থানের সন্ধানে আসা দরিদ্র অভিবাসীদের আকৃষ্ট করে থাকে।
এদিকে পৃথক ঘটনায় লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার’ জানিয়েছে, উপকূলে নৌকাডুবির পর ১৩ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
খুলনা গেজেট/এএজে

